
খান মোহাম্মদ রুবেল হোসেন:
কুমিল্লা-১০ আসনের (নাঙ্গলকোট, লালমাই ও সদর দক্ষিণ) ধানের শীষের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় ইশতেহারের আলোকে নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করা হলো:
• প্রান্তিক পরিবারকে মূল্যস্ফীতি থেকে সুরক্ষায় নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড চালু।
• ফ্যামিলি কার্ডে মাসে ২৫০০ টাকা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত।
• নাঙ্গলকোট-লালমাইয়ের প্রধান সড়ক বিভাগীয় সহযোগিতা বিবেচনায় চার লেনে উন্নীত।
• গ্রামে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত।
• স্মার্ট ড্রেনেজ ও মনিটরিং ব্যবস্থায় সড়কের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত।
• গোহারা হাসপাতাল (৫০ শয্যা) উন্নীত করে পূর্ণাঙ্গ আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠন।
• হাসপাতালে সার্বক্ষণিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ল্যাব ও আধুনিক ইমার্জেন্সি সুবিধা।
• ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা ও অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ।
• নাঙ্গলকোট ও লালমাইয়ে পূর্ণাঙ্গ ফায়ার স্টেশন ও সিভিল ডিফেন্স ইউনিট স্থাপন।
• দুর্যোগ মোকাবেলায় আধুনিক সরঞ্জাম, ড্রোন ও প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী।
• প্রকৃত কৃষক শনাক্তে ডাটাবেজ ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে।
• কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদমুক্ত করার উদ্যোগ।
• প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতিপূরণে কৃষি বীমা ব্যবস্থা চালু।
• মহাসড়ক ও রেলভিত্তিক বিশেষ শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
• স্থানীয় যুবক ও নারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে এসএমই ও এগ্রো-প্রসেসিং শিল্প।
• বিনিয়োগে ট্যাক্স সুবিধা ও ওয়ান-স্টপ সার্ভিস নিশ্চিতকরণ।
• কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকগুলো সচল করা ও ডিজিটাল ই-হেলথ কার্ড প্রদান।
• ইউনিয়ন পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা প্রসূতি, মা ও শিশু চিকিৎসা সেবা।
• দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা।
• সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ক্লাসরুম।
• শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে মিড-ডে মিল ও পুষ্টি সহায়তা।
• হাই-স্পিড ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন ও আধুনিক শিক্ষা।
• মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য জিয়া শিক্ষা বৃত্তি তহবিল।
• নাঙ্গলকোটে ৩৩৪ কিমি কাঁচা রাস্তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাকাকরণ।
• গ্রামীণ সড়ক সংস্কার করে জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ।
• কৃষিপণ্য সংরক্ষণে নাঙ্গলকোট ও লালমাইয়ে আধুনিক হিমাগার নির্মাণ।
• ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত।
• শিক্ষিত তরুণদের জন্য এক বছর মেয়াদি বেকার ভাতা চালু।
• স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণ।
• যুব দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্রে ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি প্রশিক্ষণ প্রদান।
• আইটি উদ্যোক্তাদের জন্য অফিস স্পেস ও ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা।
• নদী ও খাল পুনঃখননে জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধি।
• প্রবাসীদের আইনি সহায়তা ও বিনিয়োগ সুরক্ষায় বিশেষ সহায়তা সেল।
• প্রতি ইউনিয়নে ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল সেন্টার ও অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থা।
• বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা শতভাগ স্বচ্ছ ডিজিটাল বণ্টন।
• ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে যুব কার্যক্রম জোরদার।